১৯৭১ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর গণহত্যায় সমর্থন দিয়ে নিজস্ব তত্বাবধানে
শান্তিকমিটি, রাযাকার, আলবদর, আলশামস বাহিনী গড়ে তোলে তৎকালীন জামায়াত এবং
ছাত্রসংঘ। ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় অর্জনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ থেকে
নিশ্চিহ্ন হয়ে যাওয়া উচিত ছিল এই জামাত-ছাত্রসংঘ নামক বাহিনীর। কিন্তু
স্বাধীনতা অর্জনের ৪২ বছর পরেও ৩০ লক্ষ শহীদের রক্তের উপর সদর্পে দাড়িয়ে
আছে জামাত শিবির (তৎকালীন ছাত্রসংঘ)। তারা একে একে গড়ে তুলেছে অনেক আর্থিক
প্রতিষ্ঠান। ধীরে ধীরে নিয়ন্ত্রন নিতে শুরু করেছে আমাদের অর্থনীতি। এক
ইসলামী ব্যাংকের মাধ্যমে আমাদের শিল্প প্রতিষ্ঠানের (রেডিমেট গার্মেন্টস,
সার, তেল, জাহাজ) প্রায় ৪০% নিয়ন্ত্রণ করে। এমনকি নিজস্ব মানি ব্যাংক
প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে অন্যান্য ইসলামী ব্যাংকও নিয়ন্ত্রন করে। তাদের পক্ষে
এতকিছু সম্ভব হল কি করে?
এর বহুবিধ কারন আছে। মূল কারন হল আমাদের (মিথ্যা) দেশ প্রেমিক রাজনীতিবিদগন তাদের প্রয়োজনে জামায়াতকে পুনর্বাসিত করেছে এ দেশে। ১৯৭৭ সালে যখন শিবির প্রতিষ্ঠা হয় তখন কি একে নিষিদ্ধ করা সম্ভব ছিল না। অবশ্যই ছিল। তবে কেন এই ৩৫ বছরে শিবিরকে এদেশের মাটিতে শিকড় গড়ার সুযোগ দেয়া হল? ৯১ সালে আওয়ামী লীগ সরকারে কি দরকার ছিল রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে গোলাম আযমের কাছে দোয়া চাওয়ার? কেন ১৯৯২ সালে গণআদালতের সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহীর মামলা দেয়া হয়েছিল? ৯৬তে আওয়ামী লীগ কেন জামায়াতের সাথে জোটবদ্ধ আন্দোলন করেছে? কেন ২০০১ সালে বিএনপি জামাতের সাথে জোটবদ্ধ হয়ে নির্বাচন করেছে?
আমাদের দেশের ভন্ড দেশপ্রেমিকগণ উপরের 'কেন'গুলোর জন্ম দিয়েছেন বলেই আজ পুলিশ বাধ্য হচ্ছে এদেশের নাগরিকদের উপর গুলি করতে। আমাদের দেশের ভন্ড দেশপ্রেমিকগণ উপরের 'কেন'গুলোর জন্ম দিয়েছেন বলেই জামা্যাত-শিবির আমাদের দেশের সুর্য সন্তানদের ভূল বুঝাতে সক্ষম হয়েছে। আমাদের দেশের ভন্ড দেশপ্রেমিকগণ উপরের 'কেন'গুলোর জন্ম দিয়েছেন বলেই দেশের স্বার্থে আজ এই তরুন সমাজ বাধ্য হচ্ছে তার এক বাঙ্গালী ভাই সম্পর্কে খারাপ ধারণা পোষণ করতে। আমাদের দেশের ভন্ড দেশপ্রেমিকগণ উপরের 'কেন'গুলোর জন্ম দিয়েছেন বলেই আজ বাংলা মা বারবার রক্তে রন্জিত হচ্ছে। আমাদের দেশের ভন্ড দেশপ্রেমিকগণ উপরের 'কেন'গুলোর জন্ম দিয়েছেন বলেই ৪২ বছর পরেও আমাদের আক্ষেপ রয়ে যায়। আজ এই দেশে জামাত-শিবিরের কারনে যত অন্যায়, অপরাধ হচ্ছে তার সিংহ ভায় দায় আওয়ামী লীগ ও বিএনপির।
অবশেষে, আজ সময় এসেছে এই বাংলাদেশকে নতুন করে গড়বার। কেন আমরা সেই সুযোগ নিব না। অবশ্যই এই বাংলাদেশ সোনার বাংলা হবে।
এর বহুবিধ কারন আছে। মূল কারন হল আমাদের (মিথ্যা) দেশ প্রেমিক রাজনীতিবিদগন তাদের প্রয়োজনে জামায়াতকে পুনর্বাসিত করেছে এ দেশে। ১৯৭৭ সালে যখন শিবির প্রতিষ্ঠা হয় তখন কি একে নিষিদ্ধ করা সম্ভব ছিল না। অবশ্যই ছিল। তবে কেন এই ৩৫ বছরে শিবিরকে এদেশের মাটিতে শিকড় গড়ার সুযোগ দেয়া হল? ৯১ সালে আওয়ামী লীগ সরকারে কি দরকার ছিল রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে গোলাম আযমের কাছে দোয়া চাওয়ার? কেন ১৯৯২ সালে গণআদালতের সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহীর মামলা দেয়া হয়েছিল? ৯৬তে আওয়ামী লীগ কেন জামায়াতের সাথে জোটবদ্ধ আন্দোলন করেছে? কেন ২০০১ সালে বিএনপি জামাতের সাথে জোটবদ্ধ হয়ে নির্বাচন করেছে?
আমাদের দেশের ভন্ড দেশপ্রেমিকগণ উপরের 'কেন'গুলোর জন্ম দিয়েছেন বলেই আজ পুলিশ বাধ্য হচ্ছে এদেশের নাগরিকদের উপর গুলি করতে। আমাদের দেশের ভন্ড দেশপ্রেমিকগণ উপরের 'কেন'গুলোর জন্ম দিয়েছেন বলেই জামা্যাত-শিবির আমাদের দেশের সুর্য সন্তানদের ভূল বুঝাতে সক্ষম হয়েছে। আমাদের দেশের ভন্ড দেশপ্রেমিকগণ উপরের 'কেন'গুলোর জন্ম দিয়েছেন বলেই দেশের স্বার্থে আজ এই তরুন সমাজ বাধ্য হচ্ছে তার এক বাঙ্গালী ভাই সম্পর্কে খারাপ ধারণা পোষণ করতে। আমাদের দেশের ভন্ড দেশপ্রেমিকগণ উপরের 'কেন'গুলোর জন্ম দিয়েছেন বলেই আজ বাংলা মা বারবার রক্তে রন্জিত হচ্ছে। আমাদের দেশের ভন্ড দেশপ্রেমিকগণ উপরের 'কেন'গুলোর জন্ম দিয়েছেন বলেই ৪২ বছর পরেও আমাদের আক্ষেপ রয়ে যায়। আজ এই দেশে জামাত-শিবিরের কারনে যত অন্যায়, অপরাধ হচ্ছে তার সিংহ ভায় দায় আওয়ামী লীগ ও বিএনপির।
অবশেষে, আজ সময় এসেছে এই বাংলাদেশকে নতুন করে গড়বার। কেন আমরা সেই সুযোগ নিব না। অবশ্যই এই বাংলাদেশ সোনার বাংলা হবে।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন